img

বলিউড সুন্দরী বিপাশা বসুকে সম্প্রতি  তারই এক সহকর্মী, ফর্সা ‘কালি বিল্লি’ বলে সম্মোধন করেন। এ শুনে তখন চুপ করে ছাড়া  বিপাশার কিছুই করার ছিল না। কিন্তু ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ কাণ্ডে আজ আর চুপ করে থাকতে পারেননি তিনি। ইনস্টাগ্রামে এ বিষয়ে  তিনি লিখেছেন, ‘ছোট থেকে, সেই ছোট থেকে বোনের সঙ্গে আমাকে তুলনা করে বলা হত, সোনির থেকে বনি অনেক কালো, না? আমার পরিজন, আত্মীয় সবার মুখেই এক কথা। বনি কালো।’বনির যেন পরিচয় হয়ে উঠেছিল তার গায়ের রং। খবর এনডিটিভিরএত দিন পরে ইউনিলিভার কোম্পানির ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’ক্রিম থেকে অবশেষে  ‘ফেয়ার’কথাটি বাদ দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ‘কালোমেয়ে’ বলে তাচ্ছিল্য করা বিপাশা আজ তাই আবেগঘন।

তিনি আরও লেখেন, ‘পেশার সুবাদে এরপর যখন নিউ ইয়র্কে গেলাম , বুঝলাম আমার গায়ের রং-কে সেখানে গুরুত্ব দেওয়া হল। অনেকেরই নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিলাম তখন। এরপর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করার পর দেখলাম, আমাকে সবাই পছন্দ করছে। এক নতুন ‘আমি’কে আবিষ্কার করলাম। কিন্তু ওই শ্যামবর্ণা সুন্দরীর তকমাটা আর ঘুচল না! বলা হল আমার গায়ের রঙের জন্যই নাকি আমার মধ্যে যৌন আবেদন রয়েছে। কিন্তু আমার মতে আমার ব্যক্তিত্বেই সেক্স এপিল রয়েছে।’

পাশাপাশি তিনি এও বলেছেন যে কীভাবে গত ১৮ বছর ধরে তিনি কোটি কোটি টাকার ফর্সা হওয়ার প্রসাধনী পণ্যের বিজ্ঞানণের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। ‘একটা দেশের সিংহভাগ মানুষের গায়ের রংই যেখানে শ্যামলা, সেদেশে ফর্সা করানোর মিথ্যে স্বপ্ন কী করে যে বিক্রি করে জানি না! এসব বন্ধ হওয়া দরকার। তবে দেরিতে হলেও প্রশংসনীয় উদ্যোগ সংস্থার। অন্য কোম্পানিগুলিরও দেখে শেখা উচিত’, মন্তব্য করেন বিপাশা।এই অভিনেত্রী ২০০১ সালে ‘আজনবি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে শুরু হয় বলিউড-যাত্রা। এরপর একাধিক হিট ছবি উপহার দিয়ে ভক্তদের মনে স্থান করে নেন তিনি।

এই বিভাগের আরও খবর