img

 সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সফলতায় বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেচ ভবনে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) আয়োজিত ‘নিউট্রিশন সেনসিটিভ সোশ্যাল সেফটি নেট প্রোগ্রাম অ্যান্ড স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম) সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী (সোশ্যাল সেফটি নেট) কর্মসূচির প্রধান রেজাউল করিম এবং সংস্থাটির পুষ্টি বিষয়ক শাখার প্রধান মনিক বেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারটান-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নজমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারটান-এর অবকাঠামো নির্মাণ ও কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের পরিচালক এস এম শিবলী নজির।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বারটান পরিচালক কাজী আবুল কালাম। সঞ্চালনা করেন বারটান-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তাসনীমা মাহ্জাবীন।

রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ঠিক পর থেকে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা এখানে কাজ করেছে। ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ এবং ২০১৮ সালের বাংলাদেশ এক নয়। এখন আমরাও ত্রাণ হিসেবে খাদ্য সরবরাহকারী থেকে খাদ্য যোগানে সহায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছি। বাংলাদেশে বিশ্ব খাদ্য সংস্থার সহায়তায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সূচনা করে।

অতি দরিদ্রদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রম ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ), ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি), দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য ভাতা, বয়স্ক ভাতা, স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে বাংলাদেশ প্রতি বছর ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করছে। কেবল সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নয়, সামাজিক সুরক্ষা বলয় তৈরির কর্মপরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।

নজমুল ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বারটান ভবিষ্যতে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্ব খাদ্য সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে।

এই বিভাগের আরও খবর