img

গত পাঁচ বছরে সরকারি ব্যয়ে হজ করেছেন ১৩৩৮ জন। তিনি বলেন,  সম্প্রতি শেষ হওয়া হাজিদের হজ নিশ্চিত করতে হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর তদারকির কারণে সুষ্ঠুভাবে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। 

মতিউর রহমান বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর দফতর, হজ অফিস এবং হাবের কঠোর তদারকির পরও চলতি বছরে হজ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত যেসব হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে এবং পাওয়া যাবে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতিমালার ৩২(২) অনুচ্ছেদে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এসব শাস্তির মধ্যে হজ ও ওমরাহ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল, জামানত বাজেয়াপ্ত, অর্থদণ্ড ও জরিমানা এবং তিরস্কার ও সতর্ক করা। একই সঙ্গে পর পর তিন বছর কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে তিরস্কার ও সতর্ক করে নোটিস দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট হজ ও ওমরাহ এজেন্সির বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিস ছাড়াই লাইসেন্স বাতিল করা হবে।  

মন্ত্রী আরো বলেন, আগামীতে হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দর করার লক্ষ্যে জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি ও হজ প্যাকেজকে আরো যুগোপযোগী করা হবে। এছাড়া হাজিদের হজ নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংরক্ষিত সংসদ সদস্য সেলিনা বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি অনুযায়ী ২০১৪ সাল থেকে সরকারি খরচে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হজে পাঠানো শুরু হয়। গত পাঁচ বছরে এ ব্যবস্থাপনায় এক হাজার ৩৩৮ জন নাগরিক হজ পালন করেছেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালে ১২৪ জন, ২০১৫ সালে ২৬৬ জন, ২০১৬ সালে ২৮৮ জন, ২০১৭ সালে ৩২০ জন এবং ২০১৮ অর্থাৎ চলতি বছরে ৩৪০ জনসহ মোট এক হাজার ৩৩৮ জন হজব্রত পালন করেছেন। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হজ পালন করেছেন ময়মনসিংহ জেলার ২৪৬ জন এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঢাকা জেলায় ১৬১ জন। 

এই বিভাগের আরও খবর