বিশ্বকাপের সেরা গোল করা কাব্রাল বললেন, ‘এ আর নতুন কী!’
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের ১০২ মিনিটে অসাধারণ এক গোল করেছিলেন সিডনি লোপেস কাব্রাল। সেই গোলই বনে গেছে বিশ্বকাপের সেরা গোল। তার প্রতিক্রিয়ায় কাব্রাল জানালেন, এটা তার জন্য নতুন কিছু নয় আদৌ।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে তখন ১০২ মিনিটের খেলা চলছিল। ঠিক তখন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্তারকে কাটিয়ে ডান পায়ের বাঁকানো শটে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে স্কোর ২-২ করেন এই লেফট-ব্যাক। কাব্রাল ফিফাকে বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিল।’
আট মিনিট পর ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর হেডার দলটির এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে চলে যায় জালে। আবার এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা এবং শেষ পর্যন্ত জয় পায় মেসির দল।
তবে কাব্রালের এই গোলটি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। ভক্তদের ভোটে ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে হুন্দাই টুর্নামেন্ট সেরা গোলের পুরস্কার জেতেন তিনি।
ত্রাবজোনস্পোরের এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘এটা অনেক বড় সম্মান, প্রতিটা খেলোয়াড় এমন স্বীকৃতির স্বপ্ন দেখে। যারা আমার গোলকে টুর্নামেন্টের সেরা হিসেবে ভোট দিয়েছেন, তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’
মাত্র ২৩ বছর বয়সী কাব্রাল বলেন, এর আগেও একবার এমন গোল করেছিলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘মজার বিষয় হলো, এর কয়েক মিনিট আগেই মাঠের প্রায় একই জায়গা থেকে সেট-পিস থেকে খুব কাছাকাছি একটা সুযোগ পেয়েছিলাম। তাই এটা আমার জন্য সম্পূর্ণ নতুন কিছু ছিল না। তবে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এমন মানের গোল করাটা আরও বিশেষ কিছু করে তোলে। এই মুহূর্তটা চিরকাল আমার সঙ্গে থাকবে।’
রটারডামে জন্ম নেওয়া কাব্রাল গোলের পর আবেগঘন উদযাপনের জন্যও নজর কাড়েন। সতীর্থদের জড়িয়ে ধরার পর তিনি সরাসরি গ্যালারিতে থাকা প্রেমিকার কাছে ছুটে যান। যার জন্য হলুদ কার্ড দেখানোর রীতি থাকলেও তাকে কার্ড দেখাননি রেফারি।
তিনি বলেন, ‘গোল করার পর শুধু দৌড়ে গিয়ে উদযাপন করতে চেয়েছিলাম। আমার প্রিয়জনদের কাছে যেতে চেয়েছিলাম, বিশেষ করে আমার প্রেমিকার সঙ্গে, যে সবসময় আমার পাশে ছিল, কঠিন সময়েও। এটা বলে বোঝানো যাবে না। সব কিছু এত দ্রুত ঘটে গিয়েছিল যে, এখনো বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।’

