img

বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ শতাংশ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদে লিখিত প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।   

সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা প্রশ্ন রেখে বলেন, সারাদেশের মানুষ বর্তমানে মারাত্মক আর্সেনিক ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ কী, প্রাপ্ত সফলতা কী?

জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদনে বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে। এতে আশা করা যায়, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে— ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের হার শতকরা ৫-৬ ভাগে নেমে আসবে।

 

এই বিভাগের আরও খবর