মাধুরীকে নিয়ে বিয়ে ভাঙার গল্প, জানালেন গায়ক
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত বর্তমানে সিনেমায় অনিয়মিত হলেও ওটিটি সিরিজে নিয়মিতই কাজ করে যাচ্ছেন। এ সময় সিনেমার তুলনায় ওটিটি সিরিজে কাজ বেশি করছেন তিনি। ওটিটিতে কাজের চাপ কম। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— এখানে বক্স অফিসের অঙ্ক নিয়ে ভাবতে হয় না। ফলে মনোযোগ পুরোপুরি গল্প ও চরিত্রে দেওয়া যায় বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি জনপ্রিয় গায়ক সুরেশ ওয়াডকরের সঙ্গে তার বিয়ের প্রস্তাব এবং তা নাকচ হওয়ার গল্প সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ছড়িয়েছে। মাধুরী নাকি খুব বেশি রোগা হওয়ায় তাকে বিয়ে করতে রাজি হননি সুরেশ। তবে সম্প্রতি সেই বহুল আলোচিত গুঞ্জন নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন গায়ক নিজেই।
মাধুরী দীক্ষিত দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন। আজও তিনি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচিত মুখ। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত আছে— মাধুরীর জন্য বিয়ের প্রস্তাব গিয়েছিল সুরেশ ওয়াডকরের পরিবারে। কিন্তু তিনি নাকি অভিনেত্রীকে অত্যন্ত রোগা মনে করে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
মাধুরী দীক্ষিত বরাবরই চেহারা বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমালোচনাকে গুরুত্ব না দেওয়ার কথা বলেছেন। অভিনেত্রী বলেন, মানুষ সবসময়ই কিছু না কিছু বলবেই। তাই এসব মন্তব্যে প্রভাবিত না হয়ে নিজের কাজের প্রতি মনোযোগী থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি তাকে। এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী জানিয়েছিলেন, অনেকেই তাকে ‘খুব রোগা’ বলে মন্তব্য করতেন। আবার ওজন বাড়ার পর সমালোচনার ধরনও বদলে যায়।
সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুরো বিষয়টিকেই গুজব বলে উড়িয়ে দেন গায়ক সুরেশ ওয়াডকর। আর তাকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে চলা বিয়েসংক্রান্ত এ গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন খোদ তিনি।
এ সংগীতশিল্পী বলেন, তার কাছে কখনো এমন কোনো বিয়ের প্রস্তাব আসেনি। বরং যে সময়ের কথা বলা হয়েছে, তখন তিনি তার বর্তমান স্ত্রী পদ্মার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পদ্মা ছিলেন তারই ছাত্রী। পরে তাদের বিয়ে হয়।
তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, এই গল্পের সূত্রপাত হয়েছিল অভিনেত্রী অর্চনা পুরান সিংয়ের একটি মন্তব্য থেকে। কোনো এক অনুষ্ঠানে তিনি মজার ছলে এমন একটি গল্প বলেছিলেন, যা পরে সত্য ঘটনা হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।
সুরেশ ওয়াডকর বলেন, মাধুরী আমার খুব ভালো বন্ধু। তাকে নিয়ে ভুলভাল কিছু বললে সে আমাকে ছাড়বে না।
উল্লেখ্য, অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে খুব একটা সাফল্য না পেলেও ১৯৮৮ সালে ‘তেজাব’ সিনেমার মাধ্যমে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পান। এরপর একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে বলিউডের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হয়ে ওঠেন।

