img

অভিনয় শিল্পী থেকে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী হলেন তামিল চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক থালাপতি বিজয়। এতদিন পর্দায় দেখা গেছে নানা বীরোচিত ভূমিকায়। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে রাজনীতির মাঠে নেমে মানুষের হৃদয় জয় করলেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া নির্বচনে তামিলনাড়ুর বিধানসভা বিপুল ভোটে জিতে মূখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়।

তারকারা রাজনীতির মাঠ কাপালেও রাজনীতির কাদা গায়ে মাখতে চাননা টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রসেনজিৎ লেখেন, ‘আমি বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামী দিনেও একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ—দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রঙ লাগাবেন না।’

প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি সেটুকুই করেছি।’

মূলত শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর এই বিতর্কের সূত্রপাত। জয়ী হওয়ার খবরটি নিজেই প্রসেনজিৎকে জানান রুদ্রনীল। এরপর তাদের কথোপকথন প্রকাশ্যে এলে অনেকেই ধারণা করতে থাকেন, হয়তো রাজনীতিতে নাম লেখাতে যাচ্ছেন প্রসেনজিৎ। এমনকি তাকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে। তবে সেই সব জল্পনা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

নির্বাচনের আগেও প্রসেনজিতের পরিবারকে ঘিরে রাজনৈতিক গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এখন সহজেই বোঝা যায় কোন ছবি আসল আর কোনটা সম্পাদিত। অদ্ভুত লাগে, একটি ২০ বছরের ছেলেকে নিয়েও এমন ভুয়া প্রচার করা হচ্ছে, এমনকি আমাকে জড়িয়েও।’

এই বিভাগের আরও খবর