img

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশসীমায় ইরান থেকে ছোঁড়া একাধিক ব্যালেস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। একই সময়ে ফুজিরাহ বন্দরের একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।

তেল শোধনাগারে হামলার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সামরিক কর্মকর্তা জানান, জ্বালানি স্থাপনায় কোনো ‘পরিকল্পিত’ হামলা চালানো হয়নি। বরং উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য তিনি ওই অঞ্চলে ‘মার্কিন সামরিক দুঃসাহসিকতাকে’ দায়ী করেছেন।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘যদি হরমুজ প্রণালীতে কোনো মার্কিন নৌ-জাহাজের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে’।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় তাদের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে বেশ কয়েকটি ইরানি ছোট নৌকা ডুবিয়ে দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।

পুরো অঞ্চল যখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে, তখন কিছুটা নমনীয় সুর শোনা গেছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির ঘটনাগুলো এটাই প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই’।

তিনি আরও জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছে এবং তাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে। 

এই বিভাগের আরও খবর


সর্বশেষ