দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংসদে শামা–নাহিদের বিতর্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুর্নীতি নিয়ে সংসদে বিতর্কে জড়ালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেন।
তখন তার প্রতিবাদ জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমিক। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ৫ আগস্টের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের নবীন সদস্যদের বিরুদ্ধেও গত দেড় বছরে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
মুক্তিযুদ্ধ সবকিছুর ঊর্ধ্বে—এমন মন্তব্য করে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমি আমার সামনে বসা সংসদ সদস্য নাহিদ ও হাসনাতদের (হাসনাত আবদুল্লাহ) সেন্টিমেন্ট রিলেট করি; আমরাও চাই আমাদের সন্তানেরা এমন এক নতুন বাংলাদেশে বসবাস করুক, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, খুনের বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। আমরা যদি কাদা–ছোড়াছুড়ি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে এই পার্লামেন্ট থেকেই গুণগত উন্নয়নের সূচনা হবে।’
শামা ওবায়েদের বক্তব্যের পর ফ্লোর নেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। আমি সেই সরকারের উপদেষ্টা ছিলাম, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলও (বর্তমান আইনমন্ত্রী) ছিলেন। আমি নির্বাচনের অনেক আগেই পদত্যাগ করেছি।
নাহিদ বলেন, যেহেতু জাতীয় সংসদে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে, তাই ওনাদের প্রমাণ দিতে হবে যে নাহিদ ইসলাম কোথায় দুর্নীতি করেছে।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে কারও নাম বলেননি।

