img

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বড় ধরনের ধাক্কা খেল মার্কিন নৌবাহিনী। প্রায় ২৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন হারিয়েছে পেন্টাগন। মার্কিন নেভাল সেফটি কমান্ড গত ৯ এপ্রিলের এই ঘটনাকে ‘ক্লাস এ’ দুর্ঘটনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। খবর দি এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।

জানা গেছে, এমকিউ-৪সি ট্রাইটন নামের এ ড্রোনটি ইতালির সিগনেলা নেভাল এয়ার স্টেশন থেকে উড্ডয়ন করেছিল। পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালির উপর দিয়ে যাওয়ার সময় এটি হঠাৎ অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটগুলো থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। সিগন্যাল হারানোর আগে ড্রোনটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত নিচে নামছিল বলে জানা গেছে।

মার্কিন নৌবাহিনী জানায়, ড্রোনটির নিখোঁজ হওয়ার ফলে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও ২০ লাখ ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। তবে ড্রোনের প্রকৃত মূল্য প্রায় ২৩৮ মিলিয়ন ডলার, যা দুটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের দামের চেয়েও বেশি।

নিরাপত্তার স্বার্থে ড্রোনটি ঠিক কোথায় পড়েছে তা গোপন রেখেছে পেন্টাগন। ড্রোনটি নিখোঁজ হওয়ার আগে আন্তর্জাতিক আকাশসীমা দিয়ে ইরানের দিকে যাচ্ছিল। তবে এটি ইরানের ভেতরে পড়েছে এমন কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি সাইবার হামলার কারণে এটি বিধ্বস্ত হয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলা উত্তেজনার মধ্যে এটিই আমেরিকার সবচেয়ে দামি ড্রোন হারানোর ঘটনা। এর আগে ১ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারানোর খবর পাওয়া গেছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৭২০ মিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকদের মতে, এই হাই-টেক ড্রোন হারানো যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নজরদারি সক্ষমতার জন্য বড় একটি আঘাত।

এই বিভাগের আরও খবর


সর্বশেষ