img

বলিউড অভিনেতা সালমান খান রাজশ্রী এলাচ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। জেলা কমিশন আদালতের আদেশ অমাননার অভিযোগে ৭২ ধারা অনুযায়ী ভাইজানের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে। এর পাশাপাশি তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একটি স্পেশাল টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সালমান খান এ সিদ্ধান্তকে রাজস্থান স্টেট কনজিউমার কমিশনে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তবে গত ১৬ মার্চ রাজ্য কমিশন তার আবেদন খারিজ করে দিয়ে জেলা কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সালমান খানের আইনজীবী ন্যাশনাল কনজিউমার ডিসপুটস রেড্রেসাল কমিশনে (এনসিডিআরসি) দাবি করেছেন যে, জয়পুর ভোক্তা কমিশন তার মক্কেলের প্রতি অন্যায় করেছে। তাদের অভিযোগ— সঠিকভাবে নোটিশ বা আদেশের কপি না দিয়েই অভিনেতা সালমান খানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আইনজীবী যোগেন্দ্র বাডিয়াল জয়পুর জেলা ভোক্তা কমিশনে অভিযোগ দায়ের করে আরও দাবি করেন যে, ‘রাজশ্রী ইলাইচি’ আসলে এলাচের নামে পান-মসলার প্রচার করছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৬ জানুয়ারি জেলা কমিশন একতরফা অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়, যেখানে ‘রাজশ্রী ইলাইচি’-র ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সালমান খানসহ অন্যদের এমন বিজ্ঞাপন বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বার অ্যান্ড বেঞ্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগকারী দাবি করেন যে, কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও সালমান খানের সঙ্গে যুক্ত একটি হোর্ডিং এখনো প্রদর্শিত হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ জানুয়ারি প্রথম শুনানিতেই জেলা কমিশন সালমান খানের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

কিন্তু সালমান খানের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী রবি প্রকাশ বলেন, এই আদেশ সম্পর্কে তাদের কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি এবং তারা কোনো নোটিশও পাননি। তিনি আরও বলেন, আদেশের সরকারি কপি না পেলে সেটি লঙ্ঘনের অভিযোগ কীভাবে আনা যায়? অফিসিয়াল কপি পাওয়ার আগেই বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল।

এই বিভাগের আরও খবর