img

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছেন মানুষ। ট্রেন ও সড়কপথে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের উপস্থিতিও বাড়তে দেখা যাচ্ছে। জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই এই দুই পথে আগেভাগে যাত্রা শুরু করেছেন। তবে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে গাবতলী ও কল্যাণপুর বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীরা ব্যাগ নিয়ে টার্মিনালে জড়ো হতে শুরু করেছেন। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে বিভিন্ন বয়সি যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। তাদের অনেকের অভিযোগ টিকিট কাটতে বাড়তি ২০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বেশি গুনতে হচ্ছে।

অনেক যাত্রী আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ করলেও আজ তাৎক্ষণিকভাবে টিকিট পাওয়ার আশায় কাউন্টারে ভিড় করছেন অনেকে। সরকারি ছুটির সঙ্গে ব্যক্তিগত ছুটি যোগ করে অনেকেই আগেভাগে ঢাকা ছাড়ছেন। সকালে নির্দিষ্ট সময়ের বাস ছাড়লেও রাতের বাস দেরিতে আসায় অনেককে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় বলে জানায় বাস কাউন্টারের কর্মচারীরা।

সেই সঙ্গে যাত্রীদের বড় অভিযোগ—সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি আদায় করা হচ্ছে। অনেকের মতে, পরিবহণ খাতে নানা ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালে দেখা গেছে, দূরপাল্লার যাত্রীরা টিকিটের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন। টিকিট পেলে গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। কোথাও ২০০, কোথাও আবার ৮০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

যদিও রেলপথ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম গতকাল দাবি করেছেন, গত এক সপ্তাহে পরিবহণ মালিকদের অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া নিয়ে তিনি কোনো অভিযোগ পাননি। মন্ত্রী বলেন, সাধারণত ভাড়া সরকারি নির্ধারিত সীমার মধ্যেই থাকে। তবে কোথাও কোথাও যাত্রীদের সর্বোচ্চ প্রায় ১০০ টাকা বেশি দিতে হতে পারে।

কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ পথ ভ্রমণের জন্য ট্রেনই আরামদায়ক। ভোগান্তি এড়াতে অনেক যাত্রী একটু আগেভাগে রওনা হয়েছেন। তবে ঈদের সময় ভিড় অনেক বেড়ে যায়। টিকিট কেটেও ট্রেন ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া টিকিট কালোবাজারি করে বাড়তি দামে বিক্রি করে অনেকেই।

এই বিভাগের আরও খবর