img

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে গণভোট থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।  

বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।  

আখতার আহমেদ বলেন, ‘বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে। এখানে গণভোটের বিষয়টি আসবে না। বগুড়ার কনস্টিটিয়েন্সিতে গণভোট নেওয়া হয়েছে। কিন্তু শেরপুরের ক্ষেত্রে যে গণভোটের ভোট রয়েছে, সেটি আপনার নির্বাচনের গণভোটের ফলাফলকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে পারবে না। তাই আমরা সেখানে গণভোট রাখছি না। সরাসরি নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী আমরা এবারও কাজগুলো এগিয়ে নেব। শুধু ব্যতিক্রম করা হবে বাড়তি রিসোর্সের সমন্বয়। তবে রিটার্নিং অফিসার বা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল যদি প্রয়োজন মনে করে সেক্ষেত্রে বডিওর্ন ক্যামেরা এবং সুরক্ষা অ্যাপের ব্যবহার কিছুটা বাড়ানো হবে।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘এবারও আট দিনের জন্য আনসার বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী তাদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মাঠে থাকছে। ইতোমধ্যে মাঠে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজ শুরু। এখন পর্যন্ত কোনও আপত্তিকর তথ্য পাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যাদের প্রার্থিতা বা মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের কোনও আপিল পাইনি। তাই কোন আসনে কতজন প্রার্থী রয়েছেন সে বিষয়টি আমরা প্রত্যাহারের পর বলতে পারবো।’

ফলাফল প্রকাশ নিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমও আগের মতোই থাকবে। তবে এবার আসনের সংখ্যা মাত্র দু’টি। একটি কনস্টিটিয়েন্সিতে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫০, আরেকটিতে কিছু কম। তাই ফলাফল প্রকাশে দেরি হবে না। এবার যেহেতু গণভোটের বিষয়টি নেই, কিন্তু পোস্টাল ভোট রয়েছে, তাই পোস্টাল ভোট যত দ্রুত নিশ্চিত করা যাবে, তত দ্রুত ফলাফলও প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

পোস্টাল ব্যালটের ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখানে প্রবাসীদের ভোটও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ওসিভি এবং আইসিভি দু’টোরই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রবাসীদের ওসিভি ব্যালট আগামীকাল (১২ মার্চ) থেকে পাঠানো শুরু হবে। আর আইসিভি ভোটটি ২৩ ও ২৪ মার্চ থেকে শুরু করবো।’

ইসি সচিব বলেন, এই নির্বাচনে কেন্দ্রভিত্তিক ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও বিষয়ে পর্যালোচনা বা তদন্তের প্রয়োজন হলে তা করা যায়।

এই বিভাগের আরও খবর