img

দেশের আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। কিছু দিন আগে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় গ্রেফতার হন।  বুধবার (১১ মার্চ) সেই মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি। 

বিষয়টি হিরো আলম নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

জামিন পেয়ে নিজের প্রতিক্রিয়ায় হিরো আলমের দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আটক করে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তারা পারেনি। আজকে আমি জামিন পেয়েছি।

এ প্রসঙ্গে শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি তুলে ধরবেন জানিয়ে হিরো আলম বলেন, ‘আগামীকাল দুপুর ১২টায় ঢাকায় আমার অফিসে সংবাদ সম্মেলন করব। সেখানে পুরো বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরব।’

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি এবং সিনেমার নায়িকা বানানোর আশ্বাস দিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে হিরো আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, পরবর্তীতে এক মৌলভি ডেকে কবুল করিয়ে ওই নারীকে বিয়ে করার কথা বলা হয়। এরপর বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে তারা একসঙ্গে বসবাস করেন। একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ১৮ এপ্রিল তাকে বগুড়ায় হিরো আলমের নিজ বাড়িতে নিয়ে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি এতে রাজি না হওয়ায় ২১ এপ্রিল হিরো আলমসহ অন্য অভিযুক্তরা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এতে রক্তক্ষরণ হলে তাকে বগুড়া শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার গর্ভপাত ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। পরে ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ওই নারী বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও মামলার নথিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সিনেমা তৈরির কথা বলে হিরো আলম ওই নারীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নেন। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে বগুড়া যান হিরো আলম। নির্বাচনের পরে সেখান থেকেই গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তাকে গ্রেফতার করে বগুড়া সদর থানা পুলিশ।

এই বিভাগের আরও খবর