img

ইরানে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পাল্টাপাল্টি হামলা হচ্ছে তেহরান ও তেল আবিবের মধ্যে। যুদ্ধ এখন আর পারস্য উপসাগর এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, ডালপালা মেলেছে সুদূর ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত। উত্তেজনার মধ্যেই এই সাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র সাইপ্রাস ভ্রমনের কথা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

কয়েকদিন আগে সাইপ্রাসে ইরানের তৈরি ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। সেখানে সমরাস্ত্র পাঠিয়েছে ইতালি, যুক্তরাজ্যও। উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকলেও আগামীকাল সোমবার সেখানে যাচ্ছেন ম্যাক্রোঁ।  আজ রোববার (৮ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে তার দপ্তর। 

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় এলিসি প্যালেস জানায়, সাইপ্রাসের প্রতি ‘সংহতি’ প্রদর্শন এবং ‘সাইপ্রাস ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করার’ পদক্ষেপগুলো বিস্তারিত তুলে ধরতে ম্যাক্রোঁ পাফোস শহরে সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডৌলাইডেস ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে সোমবার সাইপ্রাসে ইরানের তৈরি একটি ড্রোন আঘাত হানে বলে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর বের হয়। এরপর ম্যাক্রোঁ বিমানবাহী রণতরী 'শার্ল দ্য গোল' ভূমধ্যসাগরে এবং একটি ফ্রিগেট ও বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিটকে সাইপ্রাসে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এলিসি জানায়, ‘এ সফরের উদ্দেশ্য হলো সাইপ্রাসের প্রতি ফ্রান্সের সংহতি প্রদর্শন করা, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সদস্য রাষ্ট্র ও যাদের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আছে। এছাড়া দেশটি সম্প্রতি ‘বেশ কয়েকটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার’ শিকার হয়েছে।’

ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় আরও জানায়, সাইপ্রাস সফর ম্যাক্রোঁকে ‘লোহিত সাগর এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়ার সুযোগ দেবে।

এই বিভাগের আরও খবর


সর্বশেষ