মধ্যপ্রাচ্যে সীমিতভাবে ফ্লাইট চালু
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে ওমান ও সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।
তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। এর ফলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু ফ্লাইট বাতিল করতে হয় বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে। আবার কিছু ফ্লাইট সচলও ছিল।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে পরিচালিত ফ্লাইটগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ-
২৮ ফেব্রুয়ারিতে ওমানগামী ১টি ও সৌদি আরবের উদ্দেশে ৫টি বিমান বাংলাদেশ ছেড়ে যায়।
১ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৪টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৬টি বিমান যায়, ২ মার্চ ওমানে ৫টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৩টি বিমান যায় ঢাকা ছেড়ে।
এছাড়া ৩ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৭টি ও সৌদির উদ্দেশে ১৫টি বিমান, ৪ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৮টি, সৌদির উদ্দেশে ২১টি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে ৬টি বিমান যায় শাহজালাল বিমানবন্দর ছেড়ে।
৫ মার্চ ওমানগামী ১০টি, সৌদি আরবের উদ্দেশে ২২টি ও আরব আমিরাতের উদ্দেশে ২টি বিমান যায়।
৬ মার্চ ওমানের উদ্দেশে ৬টি, সৌদির উদ্দেশে ১৫টি ও আরব আমিরাতের উদ্দেশে ১৩টি বিমান যায়।
সবশেষ শনিবার (৭ মার্চ) ওমানের উদ্দেশে ৬টি, সৌদির উদ্দেশে ১৮টি ও আরব আমিরাতের উদ্দেশে ১৭টি বিমান, যা কিছু ঢাকা ছেড়েছে এবং ছাড়ার কথা রয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর বহু ফ্লাইট বাতিল হলেও ওমান, সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যায় ২১৪টি ফ্লাইট।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও ধীরে ধীরে কিছু রুটে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হচ্ছে। বিশেষ করে ওমান ও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলো নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

