হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে কার মুখোমুখি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ায় আজ মঙ্গলবারই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে কারা থাকছেন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। বুধবার নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে। তবে তার আগেই ভোটের মাঠে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীদের লড়াই। তথা কে কোন আসনে কার মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং জোটভুক্ত অন্যান্য দলের কেন্দ্রীয় ও প্রভাবশালী নেতাদের আসনভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। কেউ কেউ একাধিক আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিএনপি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান লড়বেন বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে। ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট ও ভাসানটেক) আসনে তারেক রহমানের সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর ডা. এস ম খালেদুজ্জামান। আর বগুড়া-৬ আসনে (সদর) তারেক রহমানের বিপক্ষে ভোট করছেন জামায়াতের মো. আবিদুর রহমান, জাতীয় পার্টির আতিক আহমেদসহ ৯ প্রার্থী।
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসন থেকে লড়বেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই আসনে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন। এই আসনের আরেকজন বৈধ প্রার্থী হলেন ইসলামী আন্দোলনের মো. খাদেমুল ইসলাম।
কুমিল্লা-১ আসন থেকে নির্বাচন করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এই আসনে জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির মনিরুজ্জামান বাহারুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এই আসনে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নির্বাচনে অংশ নেবেন ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জের আংশিক) আসন থেকে। তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন জামায়াতের প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম।
নরসিংদী-২ (পলাশ) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেনের পরিবর্তে এনসিপির মো. গোলাম সারওয়ারকে (সারওয়ার তুষার) ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকছেন জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে লড়বেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এই আসনে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল্লাহ আল ফারুক।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন থেকে লড়বেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এই আসনে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন জামায়াত জোটের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) মুহা. নিজামুল হক নাঈম। আসনটিতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. মোসলেহ উদ্দিনও রয়েছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দিনাজপুর-৬ (নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও হাকিমপুর উপজেলা) আসনের প্রার্থী। তার সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলামের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে প্রার্থিতা বহাল রয়েছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর। আসনটিতে তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের।
নোয়াখালী-১ আসনে ভোট করছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও সাবেক এমপি জয়নুল আবদিন ফারুক; নোয়াখালী-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসন থেকে ভোট করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহজাহান; নোয়াখালী-৬ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামিম। এই আসনগুলোতে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থীরা।
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসন থেকে লড়বেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। এই আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আকরাম আলী শামা ওবায়েদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন।
এ ছাড়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের বহুল আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ নির্বাচন করবেন ভোলা-১ (সদর) আসন থেকে। এই আসনে জামায়াতের জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন থেকে বিএনপি জোটের প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন মো. হাসান মামুন। ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে বিএনপি প্রার্থী গণঅধিকার থেকে পদত্যাগকারী রাশেদ খান। আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু তালিব। এ ছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম ফিরোজও শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামী: জামায়াতে ইসলামীর হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে পরিচিতদের মধ্যে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান লড়বেন ঢাকা-১৫ (কাফরুল ও মিরপুর থানার আংশিক) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান।
জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের লড়বেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. কামরুল হুদা এবং আরও সাতজন। জামায়াতের নায়েবে আমির মজিবুর রহমান প্রার্থী হয়েছেন রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী ও তানোর) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দীন। এ ছাড়া বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সুলতানুল ইসলাম তারেকও রয়েছেন।
দলটির আরেক নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন রংপুর-২ (তারাগঞ্জ ও বদরগঞ্জ) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রার্থী হয়েছেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া, ফুলতলা ও ক্যান্টনমেন্টের আংশিক) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আসগর। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচন কমিশনে আপিল করে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন দুইবারের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
দলটির আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান লড়বেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন দুইবারের সংসদ সদস্য এম আকবর আলী। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান লড়বেন ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) আসন থেকে। এই আসনে বিএনপি জোটের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী রয়েছেন সাইফুল হক ও বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব।
জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন প্রার্থী হয়েছেন সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। দলটির ঢাকা দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল প্রার্থী হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন চারবারের সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ। এ ছাড়া জামায়াতের আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী আওয়ামী লীগ সরকার আমলে গুমের শিকার মীর আহমাদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা-১৪ (মিরপুর, শাহআলী ও দারুসসালাম থানা) আসনে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন বলপূর্বক গুমের শিকারদের প্ল্যাটফর্ম ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম।
এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৩ আসনে লড়বেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন নিজ দল এনডিএম ছেড়ে আসা ববি হাজ্জাজ। ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদিন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি): ঢাকা-১১ (রামপুরা-বাড্ডা-ভাটারা-হাতিরঝিল আংশিক) আসন থেকে লড়বেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন এম এ কাইয়ুম। রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে লড়বেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা। পঞ্চগড়-১ (সদর-তেঁতুলিয়া-আটোয়ারী) আসন থেকে নির্বাচন করবেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের পুত্র ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসন থেকে লড়বেন এসসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। এ ছাড়া আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লড়তে হবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সঙ্গে।
আলোচিত অন্য প্রার্থীরা: রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন মো. সামসুজ্জামান সাবু এবং জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহবুবুল হক বেলাল। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহ আলম প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে মান্নাকে লড়তে হবে জামায়াতের প্রার্থী আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামানের সঙ্গে। হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন ড. রেজা কিবরিয়া। আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী রয়েছেন মো. শাহজাহান আলী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এনসিপি ছেড়ে আসা তাসনিম জারা লড়বেন ঢাকা-১০ আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ও জামায়াতের প্রার্থী কবির আহমেদ। এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়াও রয়েছেন। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (আশুগঞ্জ-সরাইল) আসনে লড়বেন বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফরহানা। এই আসনে বিএনপি জোট সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মোহাম্মদ জুনায়েদ আল হাবিবের সঙ্গে রুমিন ফরহানার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি লড়বেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে। এই আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক স্বতন্ত্র প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী রয়েছেন মো. মহসীন।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর আসনভিত্তিক সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে। তবে এরই মধ্যে হেভিওয়েটদের মুখোমুখি লড়াই নির্বাচনকে করেছে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

