img

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, দেশ যেন আর পেছন দিকে না যায় এবং দেশের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সবাইকে গণভোটে অংশ নিতে হবে।

সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় তিনি এসব বলেন।

তিনি বলেন, যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়, তাহলে জুলাই সনদের সুপারিশ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে। ভবিষ্যতে যেন কোনো অবস্থাতেই  কোনো মাকে তার সন্তানের লাশের দেহাবশেষ খুঁজে পেতে অপেক্ষা করতে না হয়, যেন এক ব্যক্তির ইচ্ছায় দেশ শাসিত না হয়, যেন জবাবদিহিতার ব্যবস্থা তৈরি হয়, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা তৈরি করা যায়, ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে হবে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আলী রীয়াজ বলেন, আপনাদেরকে অনেকেই বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা অবশ্যই হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচার করতে পারেন। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন কিংবা বাংলাদেশের সংবিধান কোনো অবস্থাতেই আপনাকে বাধা দেয় না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যে সনদ তৈরি হয়েছে সেটার পক্ষে প্রচার করতে বাধা নেই।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানে গণভোটের উল্লেখ নেই। অন্যদিকে নির্বাচন হয় আরপিও-এর অধীনে। আরপিও প্রধানত প্রার্থীদের বিষয়, গণভোটের বিষয় নয়।

এসময় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, দেশে বিদেশে একটি চক্র গণভোট নিয়ে ফ্যাসাাদ সৃষ্টি করতে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইকো চক্রে মহল থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে হ্যাঁ দিলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না। আল্লাহর ওপর মানুষের পূর্ণ আস্থা থাকবে না। এসব কিছুই সম্পূর্ণ বোকাস। এই ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীদের ট্র্যাপে যেন আমরা কোনভাবে না পড়ি, সতর্ক থাকতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, রক্তে লেখা এই জুলাই সনদ। রক্তের ঋণ স্বীকার করতে হলেও জুলাই সনদ পাশ করতে হবে। এজন্য গণভোটে হ্যাঁ-কে বিজয়ী করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর