img

দিনাজপুরের পার্বতীপুর বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

রোববার সকাল থেকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিটেরই উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদন ফের শুরু হবে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

এর আগে গত বছর ২০ অক্টোবর থেকে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয় আরেকবার। সাতদিন পর ২৬ অক্টোবর পুনরায় উৎপাদনে ফেরে কেন্দ্রটি।

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ আছে। ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিট ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে সেটিও বন্ধ। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৫ দিন পর উৎপাদনে আসে ১৪ জানুয়ারি।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, রোববার সকালে ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব পুরোপুরি ফেটে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়। প্রায় ১ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বয়লারটি ঠাণ্ডা করতে সময় লাগে প্রায় ৭২ থেকে ৯২ ঘণ্টা। কাজেই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কবে নাগাদ কেন্দ্রটি আবার উৎপাদনে ফিরবে। তবে এবার উৎপাদনে ফিরতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রথম ইউনিটটি অনেক পুরনো। প্রতি পাঁচ বছর পর পর মেরামত করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পরিচালিত বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার ওপর নির্ভর করে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম চলে।

এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়ায় কয়লাখনির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানান, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঘনঘন ত্রুটি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খনির কয়লা উৎপাদনে প্রভাব ফেলে। কারণ বর্তমান কোল ইয়ার্ডে আর কোনো ধারণ ক্ষমতা নেই।

এই বিভাগের আরও খবর