বিএনপির ফয়সল ও ইসলামী ফ্রন্টের তাহেরিকে শোকজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরি ও একই আসনের বিএনপির প্রার্থী এসএম ফয়সলকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদেরকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও সিলেট সিভিল জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল হাসান এ নোটিশ দেন।
গিয়াস উদ্দিন তাহেরিকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়, তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়েছেন। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসারে ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোনো প্রকার প্রচারণার সুযোগ নেই। এ কারণে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সল ও তার ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, তিনি গত ৬ জানুয়ারিতে মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা সাহেব বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে জনসভা করেছেন। এমন একটি ভিডিও কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। যেখানে প্রার্থীর উপস্থিতিতে তার ছেলে সৈয়দ ইশতিয়াক ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান। বিধিমালা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের তিন সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোনো প্রকার প্রচারণার সুযোগ নেই। এ কারণে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট আরও সাতটি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।তারা হলেন- বিএনপির এস এম ফয়সল, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আব্দুল কাদের, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন, এবি পার্টির মোকাম্মেল হোসেন, মুসলিম লীগের শাহ মো. আল আমিন, বাসদের মো. মুজিবুর রহমান, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. রেজাউল মোস্তফা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন ও মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী।

