img

২০১২ সালে বিয়ে করেন কারিনা কাপুর খান ও সাইফ আলি খান। শাশুড়ি শর্মিলা, ননদ সোহা, এমনকী সাইফের আগের পক্ষের দুই সন্তান ইব্রাহিম ও সারার সঙ্গেও বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কারিনা কাপুরের।     

কাপুর পরিবারের রক্ত তার শরীরে। এমনিতে বলিউডের এই পরিবারের মধ্যে এখনো খুব ভাব। ক্রিসমাস হোক বা দিওয়ালি, একসঙ্গে উদযাপন করে গোটা পরিবার। যে কোনো অনুষ্ঠানে এ পরিবার একসঙ্গে হাজির হওয়া মানেই, বেশ একটা হইচই। 

বছরখানেক আগে কারিনা কাপুর খানের রেডিয়ো শো ‘হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট’-এ এসেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর। আর সেখানেই কারিনা নিজের শাশুড়ির কাছেই জানতে চান মেয়ে আর পুত্রবধূর মধ্যে কী পার্থক্য।   

শর্মিলা ঠাকুর বেশ শান্তভাবে উত্তর দিয়েছিলেন। একটু ভেবে নিয়ে বলেন, কন্যা এমন একজন যে আপনার কাছে বড় হয়েছে। সুতরাং আপনি তার মেজাজ জানেন, আপনি জানেন কি তাকে রাগিয়ে দেবে। কীভাবে সেই ব্যক্তির সঙ্গে আচরণ করতে হবে। আর আপনি যখন আপনার পুত্রবধূর সঙ্গে দেখা করছেন তখন তিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং আপনি তার মেজাজ কেমন তা জানেন না। তাই মিলমিশ হতে সময় লাগে। নতুন মেয়ে, আপনার পুত্রবধূ, আপনার বাড়িতে আসছে, তাই আপনাকেই তাকে স্বাগত জানাতে হবে এবং তাকে এমন একটা পরিবেশ দিতে হবে যা তার জন্য আরামদায়ক।

শর্মিলা জানান যে, নতুন পরিবারে বউমা যাতে মানিয়ে নিতে পারে, তার সিংহভাগ দায়িত্বও থাকে শাশুড়ির কাঁধে। 

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জানান, একটা ছেলেকে দায়িত্ব নিতে হবে মেয়েটি যাতে নতুন পরিবারে মানিয়ে নিতে পারে ভালোমতো। আমি যদি বলতে থাকি ‘আমার ছেলে না ছোটবেলা এটা খেতে ভালোবাসত, ওটা করতে ভালোবাসত, এটা ভালো খায়’-এসব শো অফ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ওদেরকে নিজেদের মতো ছেড়ে দিতে হবে। আগে ওদের সুযোগ করে দিতে হবে নিজেদের সম্পর্ক মজবুত করার। তারপর তুমি তোমার জায়গাটা নেবে। 

২০১২ সালে বিয়ে করেন কারিনা কাপুর খান আর সাইফ আলি খান। বিয়ের পর দুই ছেলের জন্ম দিয়েছেন তারা, বড় ছেলে তৈমুর ও ছোট ছেলে জাহাঙ্গীর আলি খান। এছাড়াও সইফের আগের পক্ষের দুই ছেলেমেয়ে সারা ও ইব্রাহিমের সঙ্গেও খুব ভালো সম্পর্ক কারিনার। ননদ সোহা আলি খান ও তার স্বামী কুণাল খেমুকেও হামেশাই দেখা যায় কারিনা-সাইফের মুম্বাইয়ের বাড়িতে।

এই বিভাগের আরও খবর


সর্বশেষ