নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ১১ দলের শরিক জাগপার রাশেদ প্রধান
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের অন্যতম শরিক জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ‘ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে’ এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ঐক্যের প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন রাশেদ প্রধান।
তিনি লিখেছেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় আমাদের ঐক্যের আসন সমঝোতা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ। পরিস্থিতি যা-ই হোক, আমরা সবাই রাজপথের সঙ্গী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। অতএব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন এবং অন্যান্য দলের নেতা ও সমর্থকদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি—আপনারা দয়া করে একে অপরের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন।
তিনি লেখেন, ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে আমি এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না।
সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে রাশেদ প্রধান লেখেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে এবং ঐক্যের প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করব, ইনশাআল্লাহ। আমাকে যারা ভালোবাসেন, তারা দয়া করে মন খারাপ করবেন না। ব্যক্তি রাশেদ প্রধানের চেয়ে আমাদের সমঝোতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর আমাকে যারা ঘৃণা করেন, আপনারা আপনাদের চিরাচরিত ‘সুমধুর’ ভাষায় গালাগাল শুরু করতে পারেন।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির পক্ষ থেকে পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া, আটোয়ারী) ও পঞ্চগড়-২ (দেবীগঞ্জ-বোদা) আসনে প্রার্থিতা করার ঘোষণা করেছিলেন রাশেদ প্রধান। তবে হলফনামা সংক্রান্ত জটিলতায় তার প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। পরে আপিলে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছিলেন।
এর মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে ১১ দলের পক্ষে নির্বাচন করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। জামায়াতের প্রার্থী ও জেলা আমির ইকবাল হোসাইন ইতিমধ্যেই তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। অন্যদিকে পঞ্চগড়-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী বোদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মো. সফিউল্লাহ সুফি। এখন পর্যন্ত তারই ওই আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা রয়েছে।

