img

পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর (পিএএফ) প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরাকি বিমান বাহিনীর কমান্ডার জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান নিয়ে ‘গভীর আগ্রহ’ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি পিএএফের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন তিনি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর)। খবর দ্য ডন।

আইএসপিআরের বিবৃতি বলা হয়, ইরাক সফরে থাকা পিএএফ প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল (এসিএম) জহির আহমেদ বাবর সিধু ইরাকি বিমান বাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্টাফ পাইলট মোহানাদ গালিব মোহাম্মদ রাদি আল-আসাদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকটি ইরাকি বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৌঁছালে এসিএম সিধুকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

আইএসপিআর জানায়, বৈঠকে যৌথ প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপারেশনাল সহযোগিতা উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে এসিএম সিধু পাকিস্তান ও ইরাকের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি ইরাকি বিমান বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে পিএএফের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, দুই পক্ষ পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সমন্বয় জোরদারে যৌথ মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হন।

এদিকে ইরাকি বিমান বাহিনীর প্রধান পিএএফের পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি পিএএফের বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ সুবিধা থেকে উপকৃত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ও সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে গভীর আগ্রহের কথা জানান।

এছাড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় পাকিস্তানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

আইএসপিআর জানায়, এই সফরের মাধ্যমে উভয় বিমান বাহিনীর মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ও পেশাদার সহযোগিতা আরও জোরদারের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।

জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি। এর আগে চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশও জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ‘সম্ভাব্য ক্রয়’ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।

এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও সৌদি আরব প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের সৌদি ঋণকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান চুক্তিতে রূপান্তর করার বিষয়ে আলোচনা করছে। গত বছর দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক মাস পর এই আলোচনার মাধ্যমে সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর