img

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এক বছরের মধ্যে এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে বলে জানালেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

 ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অষ্টম নিরাপত্তা সংলাপ শেষে তিনি জানান, র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে আরও সময় লাগবে।  
 

পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে প্রথম এই নিরাপত্তা সংলাপ। আগের সাতটির নেতৃত্বে ছিলেন মহাপরিচালকরা। স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় শুরু সংলাপে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, দুর্যোগ সচিব ও আইন সচিবসহ শীর্ষ ১৬ কর্মকর্তা। আর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পররাষ্ট্র দফতরের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি বনি জেনকিন্স। 

সাত ঘণ্টায় চার সেশনে চলে বৈঠক। আলোচনায় ছিল সামরিক সহযোগিতাবিষয়ক চুক্তি জিসোমিয়ার পর্যালোচনা। বাংলাদেশের সঙ্গে এই চুক্তিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, সামনে যে ডায়ালগ আছে অর্থাৎ নবম ডায়ালগ, তার আগেই চেষ্টা করব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার। 


নিরাপত্তা সংলাপে আসে র‍্যাব প্রসঙ্গ। নির্বাহী আদেশে এটা প্রত্যাহার যে সম্ভব নয়, সে কথা আবারও জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৩ সালে নবম নিরাপত্তা সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়। 

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমরা আমাদের অবস্থান তাদের জানিয়েছি, তারা তাদের আইনি বাধ্যবাধকতার কথা জানিয়েছেন। এটা কোনো এক্সিকিউটিভ অর্ডারের মাধ্যমে তুলে নেওয়ার বিষয় নয়। 

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বুধবারও ক্যাপিটল হিলে সিনেটর জন ওসফ ও কংগ্রেসম্যান অ্যামি কেরার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ সময় বাংলাদেশের রাজনীতি, নির্বাচন, মানবাধিকার ও র‌্যাব প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়। ড. মোমেন বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি দণ্ডপ্রাপ্ত রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দিতে এই দুই আইনপ্রণেতার সহযোগিতা চান।

এই বিভাগের আরও খবর