img

পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষমতায় অনেক দূর এগিয়ে গেছে চীন, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলতে পারে। ক্যাপিটল হিল নিয়ে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের হাউস ডিফেন্স অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন সাব-কমিটির এক রুদ্ধদ্বার শুনানির সময় এ কথা বলেন মার্কিন কৌশলগত কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল চার্লস রিচার্ড।

 

শুনানির সময় চীনের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেন অ্যাডমিরাল চার্লস রিচার্ড। তিনি জানান, চীনের পারমাণবিক অস্ত্রাগারের দ্রুত সম্প্রসারণ ওয়াশিংটনের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি। খবর আরটির।  

২০২১ সালে বেইজিংয়ের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা উল্লেখ করে চার্লস বলেন, এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ১০০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে ৪০ হাজার কিলোমিটার উড়তে দেখা গেছে। এটি এখন পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে সবচেয়ে বেশি দূরত্বে পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। 

চীনের এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অর্থ কৌশলগত স্থিতিশীলতা ও নিজেদের নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। রিচার্ড সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বা পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যর্থ হলে সমন্বিত প্রতিরোধ পরিকল্পনা বা সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করবে না। স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড বিশ্বাস করে যে যুক্তরাষ্ট্রকে আধুনিক পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী দুই সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ চীন এবং রাশিয়ার মোকাবিলা করতে হতে পারে। 

রিচার্ড বেশ কিছুদিন ধরে দ্রুত পরিবর্তনশীল কৌশলগত ভারসাম্য সম্পর্কে সতর্ক করে আসছেন। তিনি ২০২১ সালের অক্টোবরে ইউরোপ সফরের সময়, চীন এবং রাশিয়ার সম্মিলিত পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। সে সময় তিনি বলেছিলেন, বেইজিং এখন যেকোনো সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসংস্থান কৌশল কার্যকর করতে মোটামুটি সক্ষম।  

মার্কিন অ্যাডমিরাল মস্কো এবং বেইজিংকে জবরদস্তিমূলক কৌশল বিকাশের জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বিশেষভাবে দাবি করেন যে, রাশিয়া ন্যাটোর বিরুদ্ধে একটি ছোট আকারের কৌশলগত পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে। 

এর আগে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনকে ‘ধারণ ও দমন করার’ প্রচেষ্টার জন্য অভিযুক্ত করেছিল চীন।  

 

এই বিভাগের আরও খবর