img

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মন খারাপ সদ্য কলেজে পা দেওয়া তন্বীর। কারণ একটাই উৎসবের মরশুমে ডায়েটের (Diet) দফারফা। লাগামছাড়া খাওয়াদাওয়ায় বেড়েছে মেদ। হালফিলের কেতাদুরস্ত পোশাক আর গায়ে আঁটছে না তাঁর। তাই স্থির করল সমস্ত তেলমশলাযুক্ত খাবারকে বিদায় জানাবে। পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবারেই পেট ভরাবে সে। আর ব্যালান্সড ডায়েট মানে ফলের রস কিংবা ফল তো রোজকার খাদ্যতালিকায় থাকতেই হবে। সঠিক পদ্ধতিতে ফলের রস না করলে কিন্তু সমস্যা। উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি হতে পারে বেশি। তাই ফলের রস তৈরির আগে জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি। রইল টিপস।

 Fruit-Juice

  • নিশ্চয়ই জুসারের মাধ্যমে ফলের রস (Fruit Juice) তৈরি করেন। জুসার যাতে অতিরিক্ত গরম না হয়, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখুন। কারণ, অতিরিক্ত তাপে ফলের গুণাগুণ নষ্ট হতে পারে।
  • অবশ্যই সাধারণ তাপমাত্রায় আসার পরেই ফলের রস খান।
  • ফলের রস ফ্রিজে (Fridge) রেখে খাবেন না।

Fruit-Juice

  • অনেক সময়ই দেখা যায় লেবুর রস মিষ্টি হয় না, সেক্ষেত্রে চিনি মিশিয়ে ফলের রস খাওয়ার প্রবণতা থাকে কারও কারও। তবে ফলের রসে চিনি মিশিয়ে খাবেন না। তাতে উপকারের পরিবর্তে অপকারই হবে বেশি। কারণ, ফলের রসে চিনি মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • বিট, গাজরের মতো সবজির রসও খান অনেকেই। সেক্ষেত্রে নুন মেশান কেউ কেউ। আসল ফলাফল চাইলে ভুলেও ফলের রসে নুন মেশাবেন না।
  • ফল কিংবা কোনও সবজির রস করার আগে অবশ্যই দানা বের করে নিন। কারণ, তা স্বাদের পাশাপাশি গুণাগুণও নষ্ট করতে পারে।

Fruit-Juice

উপরের সমস্ত নিয়ম মেনে ফলের রস খান। তাতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। তবে শুধু খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে ফল পাওয়া সম্ভব নয়। অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ছিপছিপে তন্বী হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন শরীরচর্চারও (Excercise)।

এই বিভাগের আরও খবর