Ads
img

সুমন হোসেন নামের ওই তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক হলের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঝিনাইদহের বাড়িতে তিনি কোভিডে আক্রান্ত হন।

কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গি ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামে সুমনদের বাড়ি। তার বাবার নাম আমিরুল ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এইচডিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমনের মৃত্যু হয় বলে তার মামা বাহাউল আলম বাচ্চু জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ১০-১২ দিন আগে সুমন তার বাবার সঙ্গে গরু কিনতে বাজারে যায়। বাড়িতে ফিরে সেদিন রাতেই জ্বর হয়। পরে কালীগঞ্জ সদর হাসপাতালে তার চিকিৎসা করা হয়।

“গত শুক্রবার শ্বাসকষ্ট বাড়লে ওকে যশোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে করোনা ধরে পড়লে এইচডিউতে রাখা হয়। এক সপ্তাহ সেখানে চিকিৎসা চলার মধ্যে আজকে মাগরিবের সময় মারা গেল সুমন।”

শনিবার ১১টায় তার সাতপাড়ায় জানাজা শেষে সুমনকে দাফন করা হবে বলে জানান তার মামা।

সুমনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, “এটা খুবই মর্মান্তিক যে করোনায় একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে হারাতে হলো আমাদের।

“আমরা শোকাহত এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। তার আত্মার শান্তি কামনায় সবার কাছে দোয়া চাই।”

কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর সুমনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জানিয়ে প্রক্টর বলেন, “বিকেলে খবর পেলাম তার শরীরের অবস্থা খারাপ, আইসিউ দরকার। আমরা ঢাকায় আনার ব্যবস্থা করতে চেয়েছিলাম। পরিবার জানাল তারা তাকে খুলনা সদর হাসপাতালে নেবে। এর ঘণ্টা খানেক পর সন্ধ্যায় মর্মান্তিক খবরটি পেলাম।”

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মহামারীকালে একটি বিষয় বারবারই বলে আসছি যে, কোনো শিক্ষার্থী আক্রান্ত হলে বা  চিকিৎসা সহযোগিতার প্রয়োজন হলে যেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানায়।” 

সাধ্য অনুযায়ী চিকিৎসা সহযোগিতার পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ রাখবে বলে জানান প্রক্টর।

এই বিভাগের আরও খবর