Ads
img

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ–সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ছাড় পেল রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশনিংয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটিকে এ ছাড় দিয়েছে। গত বুধবার অনুষ্ঠিত বিএসইসির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সভায় লাভেলো ব্র্যান্ডের আইসক্রিম বাজারজাতকারী কোম্পানি তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজকে শেয়ারবাজারে আসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির গত বুধবারের সভার সিদ্ধান্ত গত বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি আকারে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়, আইসিবির নিজস্ব পত্রকোষ বা পোর্টফোলিওতে ধারণ করা শেয়ারের অনাদায়ি ক্ষতির বিপরীতে প্রভিশনিং সংরক্ষণের সময় ২০২১ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আইসিবির পক্ষ থেকে প্রভিশনিং সংরক্ষণের জন্য বাড়তি সময় চেয়ে বিএসইসিতে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বিএসইসি সময় বাড়ানোর প্রস্তাবে সায় দেয়। বিএসইসি বলছে, শেয়ারবাজারে আইসিবির বিনিয়োগ এবং আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে আইসিবিকে শেয়ারবাজারে আরও বেশি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে এটিকে পুনর্গঠনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটিতে বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে দুর্বলতা রয়েছে বলে মনে করেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম। এ জন্য আইসিবি পুনর্গঠনে দুই মাসের মধ্যে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন বিএসইসির চেয়ারম্যান।

১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে গঠিত হয় আইসিবি। বর্তমানে এটির তিনটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

অপর দিকে লাভেলো ব্র্যান্ডের আইসক্রিম বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুতে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে এ অর্থ সংগ্রহ করবে। এ টাকায় কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও গাড়ি ক্রয়, ডিপোতে বিনিয়োগ এবং ব্যাংকঋণ পরিশোধে কাজে লাগাবে। কোম্পানিটি তাদের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও আবেদনের সঙ্গে সর্বশেষ যে আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তাতে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের প্রথম প্রান্তিক শেষে এটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে বেনকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও সন্ধানী লাইফ ফিন্যান্স।

সাম্প্রতিক সময়ে পরপর বেশ কিছু কোম্পানির আইপিও অনুমোদন পাওয়ায় সেখানে একটি অংশের বিনিয়োগের কারণে সেকেন্ডারি বাজারের লেনদেনের ওপর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনেকে ঘন ঘন আইপিও অনুমোদন নিয়ে আপত্তি তুলছিল। এ অবস্থায় নতুন অনুমোদন পাওয়া তৌফিকা ফুডসের চাঁদা গ্রহণের সময় পিছিয়ে আগামী বছরের জানুয়ারিতে নির্ধারণের শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

জিরোআওয়ার২৪/এমএ

এই বিভাগের আরও খবর